ভাগবতের সমর্থনে ট্যুইট, সেনাকে নিয়ে রাজনীতি করবেন না! কংগ্রেসকে আক্রমণ রিজিজুর, উনি সঙ্ঘের মন্ত্রী, কটাক্ষ ডেরেকের

নয়াদিল্লি: মোহন ভাগবতের সেনাবাহিনী প্রসঙ্গে বিতর্কিত মন্তব্য সমর্থন করে ট্যুইট কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর। সেনাবাহিনীর যেখানে ৬-৭ মাস সময় লাগে, সেখানে তিন দিনেই একটা আস্ত বাহিনী তৈরি করে ফেলার ক্ষমতা আছে আরএসএসের, ভাগবতের এই মন্তব্যের তুমুল সমালোচনা হচ্ছে। তিনি সেনাবাহিনীর অসম্মান করেছেন বলে অভিযোগ করে রাহুল গাঁধী তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন। কংগ্রেসও একহাত নিয়েছে তাঁকে। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রিজিজুর দাবি, ভাগবতের মন্তব্যে অন্যায় কিছু নেই। তিনি বলেছেন, ভারতীয় সেনা আমাদের গর্ব। জরুরি পরিস্থিতিতে (কংগ্রেস আমলের জরুরি অবস্থা নয়) প্রতিটি ভারতীয়র অবশ্যই স্বেচ্ছায় প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাশে দাঁড়ানো উচিত। ভাগবতজী শুধু এটাই বলেছেন যে, প্রশিক্ষণ পাওয়া সেনা জওয়ান হয়ে উঠতে ৬-৭ মাস সময় লাগে। সংবিধানের সম্মতি পেলে আরএসএস ক্যাডাররা এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে, তাদের সেই ক্ষমতা আছে।

আরেকটি ট্যুইটে কংগ্রেসেরও সমালোচনা করে রিজিজু বলেন, ওদের সেনাবাহিনীকে নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। কংগ্রেস ২০০৪ সালে ধর্মের ভিত্তিতে সেনায় গণনার উদ্যোগ নিয়েছিল। সেনা দৃঢ় ভাবে তার বিরোধিতা করে। ভারতীয় সেনাকে নিয়ে রাজনীতি নয়। কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি আরেকটি ট্যুইটে বলেন, ওরাই না ভারতীয় সেনার কাছে সার্জিক্যাল হামলার প্রমাণ চেয়েছিল!
তৃণমূল নেতা ডেরেক ও ব্রায়েন রিজিজু কেন মন্ত্রী হয়ে সঙ্ঘ প্রধানের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। বলেন, রিজিজুর ট্যুইটের পর এটা আরও বেশি প্রকট হচ্ছে যে, এই সরকার রিমোট কন্ট্রোলে চালাচ্ছে আরএসএস। রিজিজু সরকারের নন, সঙ্ঘের মন্ত্রী। সরকারের একজন মন্ত্রী আরএসএসের ওকালতি করছেন!
যদিও ভাগবতের বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে বলে দাবি আরএসএসের। তাদের সাফাই, ভাগবত মোটেই ভারতীয় সেনাকে সঙ্ঘের স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে তুলনা করেননি। তাঁর মন্তব্যের ‘অপব্যাখ্যা করা হয়েছে’।

Releated Post