অন্যের মনের কথা জানতে চান! পরখ করুন ‘কাকচরিত্র’-এর ফর্মুলা

বিবিধ ঝামেলা এক লহমায় মিটে যায় যদি আপনি লোকের মনের কথা জানতে পারেন। ‘কাকচরিত্র’ মহাগ্রন্থে রয়েছে এর সহজ সমাধান।

কাকভূষণ্ডীর মহিমা অপার! সেই কোন আদিকালে প্রভু কৃপা করে জানিয়েছিলেন ‘কাকচরিত্র’ আর তার পর থেকে রণে-বনে-জলে-জঙ্গলে-বারাসতে-বসিরহাটে মানুষকে রক্ষা করে আসছে এই গ্রন্থ। এর আগে বেশ কয়েক বার আপনাদের সামনে সেই মহাগ্রন্থ থেকে মণি-মুক্তো পেশ করেছি। আজও করবো। তবে এবারে কোনও বিপদ-আপদ নয়, আপনার হাতে তুলে দেওয়া হবে এক অসামান্য রক্ষাকবচ। এটি হাতে থাকলে আপনি যে কোনো প্রতিপক্ষকে কুপোকাৎ করে দিতে পারবেন হেলায়।

কে কখন মনের ভিতরে আপনার বিরুদ্ধে ঘোঁট পাকাচ্ছে, আপনার দিকে আড়চোখে য়ে মেয়েটি তাকাল, তার মনের গোপন কোণে আপনার অবস্থিতি কেমন, আপনার বস আপনার উপরে সন্তুষ্ট না অসন্তুষ্ট— এই সব বিবিধ ঝামেলা এক লহমায় মিটে যায় যদি আপনি লোকের মনের কথা জানতে পারেন। ‘কাকচরিত্র’ মহাগ্রন্থে রয়েছে এর সহজ সমাধান। এখানে অতি গোপনে আপনাদের জানাচ্ছি সেই বৃত্তান্ত। জাস্ট নোট করে নিন।

• মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে একটা কাক ধরুন।

• ১২ দিন পর্যন্ত তাকে মধু ও গোলাপজল মিশিয়ে খাওয়ান।

• ১৩ দিনের মাথায় রাত ১১টা নাগাদ কাকটিকে মেরে ফেলুন এবং তার হৃদপিণ্ড বের করে নিন।

• কাকের দেহটা মাটিতে পুঁতে তার হৃদপিণ্ডটি একটা লোহার কৌটোয় পুরে রোদে শুকোতে দিন।

• ১৫ দিনের দিন আর একটা কৌটোয় হৃদপিণ্ডটি রেখে সিঁদুর, মৃগনাভি ও কস্তুরী মিশিয়ে নিন।

• এক সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতিদিন ২-৩ মিনিট ধরে কৌটোটাকে ঝাঁকাতে থাকুন।

• এবারে যার মনের কথা আপনি জানতে চান, তার কথা স্মরণ করে রাত ১২টা থেকে ১টার মধ্যে কৌটোটাকে খুলে কলজেটা বিছানায় রেখে খানিকক্ষণ এটার দিকে তাকিয়ে ধ্যান করুন।

• এর পরে কলজেটাকে বালিশের তলায় রেখে ঘুমিয়ে পড়ুন।

• যার মনের কথা জানতে চেয়েছেন, সেই সব কিছু স্বপ্নযোগে আপনি জেনে যাবেন।

(বি.দ্র.—এই রচনা একেবারই বাস্তবসংসর্গ বর্জিত। কেবল মজা করার জন্যই লেখা)

Releated Post