ধনবৃদ্ধির জন্য এই ৫টি রত্নের কথা যুধিষ্ঠিরকে বলেছিলেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ

ইন্দ্রপ্রস্থে যুধিষ্ঠিরের অভিষেকের রাতে শ্রীকৃষ্ণের কাছে পাণ্ডবরা জানতে চান, হস্তিনাপুরের ভবিষ্যৎ কী। ত্রিকালজ্ঞ পুরুষোত্তম এই অবসরে মানবিক সমৃদ্ধির জন্য কিছু ‘রত্ন’-এর কথা বলেন।

মহাকাব্য ‘মহাভারত’ কেবল একটি কাব্যই নয়, এটি একাধারে ভারতেতিহাস এবং দর্শনগ্রন্থ। একই সঙ্গে বেদব্যাস রচিত এই এপিক জীবনশৈলির প্রতিও দৃষ্টিপাত করে। ‘মহাভারত’ জানায়, কী ভাবে জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করা যায়। ভারতীয় বাস্তুশাস্ত্র ‘মহাভারত’ থেকে তার বহু কিছু গ্রহণ করেছে। এখানে রইল তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

ইন্দ্রপ্রস্থে যুধিষ্ঠিরের অভিষেকের রাতে শ্রীকৃষ্ণের কাছে পাণ্ডবরা জানতে চান, হস্তিনাপুরের ভবিষ্যৎ কী। ত্রিকালজ্ঞ পুরুষোত্তম এই অবসরে মানবিক সমৃদ্ধির জন্য কিছু ‘রত্ন’-এর কথা বলেন। এই রত্নগুলির যথাযথ প্রয়োগে হস্তিনাপুর সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ভারতীয় বাস্তুশাস্ত্র শ্রীকৃষ্ণের এই উবাচকে ব্যক্তিগত সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় বলে জানায়। দেখে নেওয়া যেতে পারে, এই পাঁচটিকে।

১. জল— ভারতীয় সংস্কৃতিতে জল অতি পবিত্র বস্তু। এই রত্ন দান করলে সব থেকে বেশি পুণ্য হয়। তৃষ্ণার্তকে জলদান, দাতার জীবনে সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।

২. চন্দনকাঠ— শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন, সহস্র সাপের ছোবল খেয়েও চন্দন গাছ তার সুগন্ধ হারায় না। গৃহে চন্দন কাঠ রাখলে তা শুভশক্তিকে আহ্বান করে।

৩. ঘি— ভারতীয় সংস্কৃতিতে ঘৃতের স্থানও অতি পবিত্র উচ্চতায়। গৃহে ঘৃত-প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত রাখলে গৃহ সমৃদ্ধ হয়।

৪. বীণা— বীণা এক অতি পবিত্র বাদ্যযন্ত্র। স্বয়ং বাগদেবী বীণাবাদিনী। গৃহে বীণা রাখলে দারিদ্র দূরে থাকে, অনিশ্চয়তা দূর হয়।

৫. মধু— সনাতন জীবনধারায় মধু অতি পবিত্র বস্তু। গৃহে মধু রাখলে আর্থিক অনিশ্চয়তা দূরে থাকে। কাঙ্ক্ষিত বস্তু লাভে বাধা দূর হয়।

Releated Post